এ নিয়ে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে এসেছে ২ হাজার ১৯৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে ব্যাংকগুলোয় ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। দাম ধরে রাখতে ধারাবাহিকভাবে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের আটটি ব্যাংক থেকে গতকাল কিনেছে ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এ নিয়ে চলতি ফেব্রুয়ারিতে ডলার ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মোট ১৫৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত কেনা হয়েছে মোট ৫৪৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, মুদ্রাবাজারের বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার পর দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত বছরের ১৩ জুলাই ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বেড়ে যাওয়ায় বাজার স্থিতিশীল রাখতে অর্থাৎ ডলারের দর যাতে কমে না যায় সেজন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কেনা হচ্ছে।
এ তথ্য জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘বাজার স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনছে। ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে মঙ্গলবার আটটি ব্যাংকের কাছ থেকে কেনা হয়েছে ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার।’ আগের মতোই বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে এ ডলার কেনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং রফতানি আয়ের উন্নতির প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিতভাবে বাজার থেকে ডলার কিনছে। এতে একদিকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হচ্ছে, অন্যদিকে ডলারের বাজারে অতিরিক্ত দরপতনও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হচ্ছে।